কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬ এ ১১:৩৪ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ব্যবস্থাপকীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও ক্ষমতার মাধ্যমে সবকিছু পরিচালনা করা যায়
২০১৫ সালে, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগ ৩ জন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে, ৬ জন শিক্ষক, ২ জন অফিস সহকারী এবং ১ জন সেমিনার সহকারী বিভাগ পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়াও, ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৪টি শ্রেণিকক্ষ, ১টি সেমিনার কক্ষ এবং ১টি শিক্ষক লাউঞ্জ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে অনার্স ও ডিগ্রি (পাস) কোর্স চালু থাকলেও ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাতটি কলেজের মধ্যে এই কলেজটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ডিগ্রি কোর্সে ভর্তি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রতিটি সদস্য ব্যবসায়িক জ্ঞানের সাথে নান্দনিকতা ও পরিশীলতার সংমিশ্রণে শিক্ষার্থীদের আধুনিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষকমণ্ডলী তাদের অনার্স কোর্সের পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পাঠদান করেন এবং কলেজ প্রশাসনের অর্পিত সকল দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন। এছাড়াও, তারা জাতীয় প্রয়োজনের সময় সরকারের নির্দেশনা মেনে চলেন।
লক্ষ্য: আধুনিক, সদা পরিবর্তনশীল বিশ্বের সাথে অবিরাম অভিযোজনের জন্য শিক্ষার্থীদের শিক্ষিত করা এবং স্থিতিশীল ব্যবস্থাপকীয় গুণাবলী অর্জনে সর্বদা প্রস্তুত রাখা।
ভিশন: বিশ্ব মঞ্চে সফল ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তা হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে এবং সমগ্র জাতির সেবা করতে প্রস্তুত করা। ব্যবস্থাপনা বিষয়কে ব্যবসায় অনুষদের সকল বিষয়ের জননী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস বলেছিলেন “ব্যবস্থাপনা সর্বজনীন”। বিশ্বের সকল নেতৃত্বের মৌলিক নীতি হলো হেনরি ফেয়লের ১৪টি ব্যবস্থাপনার নীতি। এফ.ডব্লিউ টেইলরের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা আধুনিক ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করেছেন।
বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ তার প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নারী শিক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। নারী নেতৃত্বকে ত্বরান্বিত করার জন্য ব্যবস্থাপকীয় জ্ঞানের কোনো বিকল্প নেই।